বামপন্থা ও গণতন্ত্রের কথোপকথন

[দেশ]

[দেশ]

২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী শ্রমিক ধর্মঘট

২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী শ্রমিক ধর্মঘট

অতনু চক্রবর্তী

photo

শ্রমজীবী ভাষা, ১৬ জানুয়ারি, ২০২২— "দেশবাসীকে বাঁচাও, দেশ বাঁচাও" --- প্রধান এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ট্রেড ইউনিয়নগুলোর যুক্ত মঞ্চ ও সেক্টর ভিত্তিক সর্বভারতীয় ফেডারেশন এবং সমিতিগুলো (বিএমএস বাদে) আসন্ন বাজেট অধিবেশনের সময়  আগামী ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সারা ভারত সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তার আগে, ১১ নভেম্বর, ২০২১ - দিল্লির যন্তর মন্তরে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশনগুলো  জাতীয় স্তরের শ্রমিক কনভেনশন থেকে মোদি সরকারের জাতীয় স্বার্থ বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে দু' দিন ব্যাপী ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, ৩ ডিসেম্বর ২০২১, কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন গুলো ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ওই ধর্মঘট সংগঠিত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
ফেলে আসা বছরে, দেশের মানুষ দেখেছেন শ্রমিক-কৃষক সহ দেশবাসীর উপর মোদি সরকারের নামিয়ে আনা দানবীয় হামলা, সংসদের অধিবেশন গুলোকে তামাশায় পরিনত করে অতিমারির সুযোগে কর্পোরেটদের স্বার্থে একের পর এক দেশ বিরোধী আইন গুলোকে জবরদস্তি পাশ করিয়ে নেওয়া, সাংবিধানিক সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে প্রশাসনের বর্দ্ধিত অঙ্গে পর্যবসিত করা, যে কোনও ভিন্ন মতকে কণ্ঠরুদ্ধ করা, আর, এই ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে গভীর খাদের কিনারে ঠেলে নামিয়ে দেওয়া। আর, এর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক জনতা প্রতিরোধের এক অনন্য নজীর গড়ে তোলেন। জাগ্রত কৃষক আন্দোলন কর্পোরেট স্বার্থবাহী তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আটকে না থেকে ফ্যাসিবাদী মোদি সরকারকে রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার রাজনৈতিক স্তরে উত্তোরিত হল, স্বাধীনতার পর এই প্রথম কৃষক সংগঠনগুলো ভারত বনধের আহ্বান সামনে রেখে সর্বস্তরের জনগণকে পাশে টানে। রাজনীতি-মতাদর্শের পার্থক্য পাশে সরিয়ে বহু বর্ণের কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিসান মোর্চার পতাকাতলে সমাবেশিত হয়ে রচনা করল নতুন এক মহাকাব্য। বহু বর্ণের মিলনবিন্দু হয়ে উঠে ওই মঞ্চ, একই লক্ষ্য অর্জনের সংকল্পে স্থির থেকে। বিবিধের মাঝে ভারতের মহান মিলনকে প্রতিবিম্বিত করে।
সংসদীয় আঙ্গিনায় বর্বর সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাপটে দাম্ভিক প্রধানমন্ত্রী ভেবে নিয়েছিলেন তাঁর অঙ্গুলি হেলনে চলবে গোটা ভারতবর্ষ। কিন্তু, আবার প্রমাণিত হল, সংসদ যখন ওদের দখলে চলে যায়, তখন সংগ্রামী জনতা রাজপথকেই বেছে নিয়ে সেই জনবিরোধী আইনকে পরিনত করে ছেঁড়া কাগজে, রাজপথেই তৈরি হয় নতুন আইন, নতুন ফরমান, নতুন মানচিত্র --- অতি বড় স্বৈরশাসকও তা রোধ করতে পারে না! বছরের শেষ এনে দিল নতুন এক আরম্ভের বার্তা— ফ্যাসিস্ট সরকারকে ঝোঁকানো যে যায়, সেই প্রত্যয়, বলিষ্ঠ বিশ্বাস যেন আবার পল্লবিত হল। এর পরই, ব্যাঙ্ক শিল্পের সংগঠিত আন্দোলন আবার দিল ধাক্কা। ব্যাঙ্ক শিল্পের ৯টি ইউনিয়নের সংযুক্ত মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন্স" এর ডাকে সারা দেশ জুড়ে দশ লক্ষের উপর ব্যাঙ্ক কর্মী ও অফিসারেরা ১৬-১৭ ডিসেম্বর ব্যাঙ্ক শিল্পকে স্তব্ধ করে দিলেন সফল ধর্মঘটের মাধ্যমে। ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণ করতে মোদি সরকার স্থির করেছিল, এই শীতকালীন সংসদীয় অধিবেশনেই পেশ করা হবে ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণ বিল (ব্যাঙ্কিং আইন সংশোধনী বিল, ২০২১)। ব্যাঙ্ক কর্মীদের ইউনিয়ন হুমকি দেয়, এই বিল পাস হলে তাঁরা লাগাতার ধর্মঘটের পথে পা বাড়াবে। দু' দিনের এই সফল ধর্মঘটের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার ওই প্রস্তাবিত বিল আর সংসদে পেশ করার সাহস দেখাতে পারেনি।
চলমান কৃষক আন্দোলনের সংহতিতে সারা ভারত জুড়ে গড়ে ওঠে অভূতপূর্ব শ্রমিক আন্দোলন। নিজেদের দাবিতে, শ্রমিক শ্রেণীর বিভিন্ন স্তর -- সংগঠিত থেকে শুরু করে অসংগঠিত ক্ষেত্র - প্রতিবাদ প্রতিরোধের নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেন দেশের নানা প্রান্তে। কয়লা শিল্পের শ্রমিকদের পাশাপাশি ইস্পাত শিল্পের শ্রমিকরাও ধর্মঘট করেন। আশা - মিড ডে মিল - অঙ্গনওয়াড়ি র কর্মীরা, বিদেশি বেসরকারি সংস্থার কর্মী, যেমন ফোর্ড - হুনডাই র শ্রমিকরা নানা ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলেন। চেন্নাইতে বহুজাতিক সংস্থা ফক্সকন-এ বর্ধিত মজুরি ও ইউনিয়ন গড়ার অধিকারের দাবিতে কয়েক হাজার মহিলা শ্রমিক কর্তৃপক্ষের চোখে চোখ রেখে সংগ্রাম চালিয়ে যান। বিহার-মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে সাফাই কর্মীরা উন্নত মজুরি ও শোভন কাজের পরিবেশ র দাবিতে বড় বড় আন্দোলন করেছেন।
এদিকে, গত ২৬ আগস্ট, কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক দেশের অসংগঠিত শ্রমিকদের নথিভুক্ত করতে ই-শ্রম ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন করে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে আনুমানিক ৭০৪ কোটি টাকার বিনিময়ে গড়ে ওঠা এই ওয়েব পোর্টালের মূল লক্ষ্যই হলো প্রথম কেন্দ্রীভূত একটা ডেটাবেস বা তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলা, যাকে সংযুক্ত করা হচ্ছে আধার কার্ডের সঙ্গে। এখনো পর্যন্ত যে তথ্য উঠে আসছে তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নথিভুক্ত প্রায় ১০ কোটি শ্রমিকদের মধ্যে ৯৪.৫ শতাংশের মাসিক আয় দশ হাজার টাকার ও নীচে! এক শতাংশের মাসিক আয় ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকার মধ্যে, আর ০.৫ শতাংশের আয় ১৮ হাজার থেকে ২১ হাজারের মধ্যে।আর, এদের মধ্যে বেশির ভাগ অংশটাই হলেন আজকের তরুণ প্রজন্ম।পাশাপাশি, আরেকটি তথ্য উঠে এল – ৭০ শতাংশের ও বেশি অসংগঠিত শ্রমিকরা হলেন তপশিলি জাতি, উপজাতি ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া বর্গ থেকে আগত। অর্থাৎ, শেষোক্ত এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক স্তরটি সমস্ত মাপকাঠি থেকে বঞ্চিত, প্রান্তসীমায় নিক্ষিপ্ত। কিন্তু, সরকারি তথ্য ই বলছে, এরাই দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে চলেছে। সেই ২০০৮ সালে অর্জুন সেনগুপ্ত নেতৃত্বাধীন গড়ে ওঠা "ন্যাশনাল কমিশন ফর এন্টারপ্রাইজেস ইন দ্য আনঅর্গনাইজড সেক্টর" তাদের রিপোর্টে জানায় যে এই ইনফর্মাল ক্ষেত্রটি দেশের জিডিপিতে ৫০-৫৫ শতাংশ অবদান রাখে। এরাই শ্রম শক্তির ৯২ শতাংশ! আজ যখন শাসকবর্গ ৭৫ বছরের স্বাধীনতাকে বিপুল উন্মাদনার সাথে উগ্র জাতীয়তাবাদের মিশেল ঘটাচ্ছে, তখন ভুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সমাজের সবচেয়ে বঞ্চিত, অগণন, সবার অগোচরে থাকা নামহীন অবয়হীন ইনফর্মাল শ্রমিকরাই দেশের জাতীয় আয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে চলেছেন। সামান্য আয়ের বিনিময়ে, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে, সামাজিক সুরক্ষা ছাড়াই সম্পদ সৃষ্টিকারী বিপুল এই সামাজিক স্তরটি দিবারাত্র কাজ করে চলেছেন কোন ধরনের শ্রম আইনের সুরক্ষা কবচ ছাড়াই।
আর নির্মম বাস্তব এটাই, এই সমগ্র বৃহদাংশ শ্রমজীবী মানুষদের নতুন করে দাস শ্রমিককে পরিণত করতে মোদি সরকার পাশ করালো চারটি শ্রম কোড। কর্পোরেটদের স্বার্থবাহী নির্লজ্জ সরকার খোলাখুলি ঘোষণা করেছে যে, সহজে ব্যবসা করার (ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস) সুযোগ সুবিধাকে প্রসারিত করার প্রারম্ভিক বিন্দুর উপর দাঁড়িয়েই তৈরি হয়েছে নতুন শ্রম কোড! আজ পর্যন্ত শ্রম কানুন তৈরি হয়েছে শ্রম ও শিল্প— এই দুই অসমান পক্ষের মধ্যে ন্যায্যতা আনতে শ্রমের স্বার্থকে সূচনাবিন্দুতে রেখে। মোদি জমানা এর উল্টোটাই করল। এমনকি, ৪ ডিসেম্বর, একটি প্রথম সারির ইংরাজি দৈনিক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সহজে ব্যবসা বাণিজ্য করার শর্ত, শিথিল কর কাঠামো ও আইন মানার বোঝা থেকে ক্রমে ক্রমে সরে এসেই দেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হবে।
১০ ফেব্রুয়ারি থেকে উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ইতিমধ্যে, কোভিড অতিমারির তৃতীয় তরঙ্গ গোটা দেশে আছড়ে পড়েছে। কৃষক আন্দোলন তিন কৃষি আইনকে খারিজ করে ছিনিয়ে নিয়েছে তার ঐতিহাসিক জয়। এখন, ভারতীয় শ্রমিক শ্রেণীকে এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধকে এগিয়ে নিয়ে থামাতে হবে সাধারণ মানুষের জীবন - জীবিকার উপর নামিয়ে আনা রাষ্ট্রীয় হামলা। উল্কার গতিতে বেড়ে চলা বেকারত্ব, ক্ষুধা ও বেড়ে চলা সার্বিক দারিদ্র, গণতন্ত্রের উপর আঘাত এবং গোটা দেশ ও দেশবাসীকে মারাত্মক এক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে মোদি সরকারের বিপর্যয় সৃষ্টিকারী নীতির বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। দাবি জানাতে হবে -
১) চারটি শ্রম কোড ও প্রতিরক্ষা শিল্পে নামিয়ে আনা দানবীয় ইডিএসএ বাতিল কর।
২) কৃষি আইন রদ করার পর সংযুক্ত কিসান মোর্চার পেশ করা ৬ - দফা দাবি মেনে নাও।
৩) কোন ধরনের বেসরকারিকরণ চলবে না। ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন খারিজ কর।
৪) আয় কর র আওতার বাইরে যে সমস্ত পরিবারগুলো রয়েছে,, তাঁদের প্রতি মাসে খাদ্য ও ৭,৫০০ টাকা অনুদান দিতে হবে।
৫) মনরেগা খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
শহরাঞ্চলে কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্প সম্প্রসারিত করতে হবে।
৬) সমস্ত ইনফর্মাল শ্রমিকদের সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।
৭) অঙ্গন ওয়াড়ি, আশা, মিড ডে মিল সহ অন্যান্য স্কিম কর্মীদের বিধিবদ্ধ ন্যূনতম মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা দিতে হবে।
৮) যে সমস্ত ফ্রন্টলাইন কর্মীরা অতিমারির প্রচন্ড ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছেন, তাঁদের যথাযথ সুরক্ষা এবং বিমার ব্যবস্থা করতে হবে।
৯) জাতীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিত্তবানদের উপর সম্পদ কর চালু কর, কৃষি-শিক্ষা-স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গণ পরিষেবামূলক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ব্যয় বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
১০) পেট্রপণ্যের উপর কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে। বেলাগাম দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি রোধ করতে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।
১১) কন্ট্রাক্ট শ্রমিক, স্কিম কর্মীদের নিয়মিতকরণ, আর সবার জন্য সম কাজে সমান মজুরি।
১২) নয়া পেনশন প্রকল্প বাতিল করতে হবে। পূর্বের পেনশন ব্যবস্থা বহাল রাখতে হবে। কর্মী পেনশন প্রকল্পের অধীনে ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ অনেকটা বাড়াতে হবে।
আইএলও তার সমস্ত সাম্প্রতিক নীতি ঘোষণায় তার সদস্য দেশগুলোর কাছে, কোভিড-উত্তর বিশ্বে উন্নত স্বাভাবিক অবস্থায় আবার ফিরে আসতে মানব-কেন্দ্রীক শ্রম নীতি প্রণয়ন করতে আবেদন জানিয়েছে। কোভিডে সবচেয়ে বেশি বিধ্বস্ত মহিলা শ্রমিক - ইনফর্মাল শ্রমিক - কর্মচ্যুত তরুণ প্রজন্মের স্বার্থে ন্যূনতম মজুরি বাড়াও, শোভন কাজ— সামাজিক সুরক্ষা মজবুত কর, ত্রিপক্ষীয় আলাপ আলোচনা, যৌথ দরকষাকষির ট্রেড ইউনিয়ন কাঠামোকে গুরুত্ব দাও। সাধারণ মানুষের হাতে আরও বেশি টাকার জোগান দিতে না পারলে, বাজারে চাহিদা বাড়াতে না পারলে অর্থনীতির ঝিমুনি কাটবে না। কিন্তু, মোদি সরকার হাঁটছে সম্পূর্ণ বিপরীত রাস্তা ধরে। আতঙ্কজনক বেকারত্বের পরিসংখ্যান নিয়ে যখন সমস্ত অর্থশাস্ত্রীরা শঙ্কিত, আরও বেশি রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের প্রতি নজর ফেরাতে নতুন নীতি ঘোষণার বদলে মোদি সরকার আরও বেশি বেশি করে কর্পোরেটদের তোয়াজ করতেই সচেষ্ট— প্রাক বাজেট কসরত থেকেই তার ইঙ্গিত মিলছে।
তাই, এই বিপর্যয় থেকে দেশ ও দেশবাসীকে বাঁচাতে আগামী ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘটকে সর্বাত্মক ভাবে সফল করতে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

Copyright © 2021 - 2022 Shramajeebee Bhasha. All Rights Reserved.