বামপন্থা ও গণতন্ত্রের কথোপকথন

[দেশ]

[দেশ]

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে যুব বিদ্রোহ

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে যুব বিদ্রোহ

অতনু চক্রবর্তী

photo

শ্রমজীবী ভাষা, ১ জুলাই ২০২২— শুকনো বারুদের পুঞ্জীভূত স্তুপ মজুত হয়েই ছিল বহুদিন ধরে। আতঙ্কজনক বেকারত্বের হার যে কোন মুহূর্তে বিরাট বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে তা অনেকেই মোদি সরকারকে বারবার হুশিয়ারি দিয়েছিলেন। বেশ কয়েক মাস আগে রেলের পরীক্ষার অনিয়মকে কেন্দ্র করে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে। এরপর, জনজীবনের জ্বলন্ত সমস্যা থেকে মুখ ঘোরাতে নূপুর শর্মার ঘৃণা ভরা উক্তি গোটা দেশজুড়ে প্রবল এক সাম্প্রদায়িক উস্কানির পরিবেশ নিয়ে এল। যুদ্ধরেখাগুলো ঘোলাটে করতে বিজেপি ও সংঘ বাহিনীর এই ষড়যন্ত্র প্রবল পরিহাসে ধাক্কা খেল তাদের নিজেরই আনা এক ঘোষণায়। ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প গোটা দেশকে অগ্নিগর্ভ করে তুলল। আবার স্পষ্ট হতে শুরু করল চাপা পড়ে যাওয়া অ্যাজেন্ডাগুলো। উত্তর ভারতের একের পর এক রাজ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়া যুব বিদ্রোহ এবার দক্ষিণের রাজ্যেও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। বহু রাজ্যে বিঘ্নিত হল ট্রেন চলাচল। হিংসাশ্রয়ী যুব গণ রোষে জ্বলল বেশ কিছু ট্রেন, আক্রান্ত হল স্টেশন, বেশ কিছু রাজ্যে, বিশেষ করে বিহারে বিজেপি নেতাদের উপর হামলার আশঙ্কায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁদের জন্য বিশেষ প্রহরার ব্যবস্থা করল।
হিন্দি কবি হরবংশ রাই বচ্চন এর কবিতা ‘অগ্নিপথ’ থেকেই এই বিতর্কিত প্রকল্পের নামকরণ। আর, প্রকল্প ঘোষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দাউ দাউ করে বিক্ষোভের আগুন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। কর্মপ্রত্যাশী যুব সমাজের বিপুল বাহিনী গভীর উদ্বেগ নিয়ে দেখলেন সরকার তাঁদের নিশ্চিত চাকরি, কর্মজীবনের শেষে নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা কেড়ে নিল। সংসদে এতো বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনার কোনও অবকাশই রাখল না মোদি সরকার। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, এই প্রথম এই ধরনের একটি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী নয়, ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, আর এই প্রথম দেশের সেনা প্রধানেরা একযোগে এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পক্ষে দাঁড়িয়ে তার ব্যাখ্যা ও জয়ধ্বনী করলেন— স্বাধীন ভারতে যা নজীরবিহীন।
এটাও দেখা গেল, বহু প্রাক্তন সেনা কর্তারা যখন এই প্রকল্পের তুমুল বিরোধিতা করছেন, তখন সেনাবাহিনীর বর্তমান কর্তারা শুধু এর পক্ষেই নন, দিন কয়েক আগে লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল পুরি বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে বললেন, “আমরা অগ্নিবীরদের এতো ভাল প্রশিক্ষণ দেব যে তাঁরা টাটা-আম্বানিদের জন্য ভালভাবেই কাজ করতে পারবে।” রাষ্ট্রীয় অর্থে এই ভাবে তৈরি করা হচ্ছে কর্পোরেটদের রক্ষী বাহিনী। আরও নির্লজ্জ ব্যাপার হল, এই প্রথম উচ্চপদস্থ এক সেনা অফিসার উর্দি পরেই সরকারের কর্পোরেট স্বার্থবাহী নীতিকে বিজ্ঞাপিত করলেন। আমরা এটাও দেখলাম, সামরিক উর্দিধারী সেনা অফিসাররা হুশিয়ারি দিয়ে জানান দিলেন, যারা যারা এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের আগে মুচলেখা দিয়েই এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। আমরা সকলে দেখলাম, সামরিক বাহিনী কিভাবে হাতে তুলে নিল প্রশাসনের ভূমিকা! আর, গোটা বিরোধী পক্ষ মুখে কুলুপ এঁটে নিঃশব্দে এর অনুমোদন দিয়ে গেল।
কি মর্মান্তিক বিরোধাভাসে দাঁড়িয়ে আমাদের দেশ ভারতবর্ষ! প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে বলেছেন যে দেশে ইউনিকর্ণ এর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে যার মূল্য ২৫ লক্ষ কোটি টাকা ও বেশি। আর, এই ইউনিকর্ণগুলো আরো সম্পদ ও মূল্য সৃষ্টি করবে। অথচ, ভারতে পাইকারি মূল্যস্ফীতি গত তিন দশকে সবচেয়ে বেশি, ডলারের সাপেক্ষে ভারতের টাকার মূল্য সর্বনিম্ন, গত চার দশকের মধ্যে বেকারত্বের হার সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেছে। সরকারি হিসাবেই বেকারত্বের হার দুই অঙ্কের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছে, আর তার হাত ধরে অকল্পনীয় হারে বেড়েছে ছদ্ম বেকারত্ব। এ সব তখনই হচ্ছে যখন কর্মক্ষম মানুষের অর্ধেকেরও কম কাজের বাজারে কাজ খুঁজে খুঁজে হয়রান। মে মাসের সর্বশেষ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ৫৪.৯ শতাংশ মানুষ বলছেন কর্মসংস্থানের অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে, আর ৩২.১ শতাংশ মানুষ মনে করছে যে এই পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে দাঁড়াবে সামনের দিনগুলোতে। পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে থেকে জুন মাসে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত তথ্য বলছে, নতুন নতুন কাজ তৈরি হওয়ার বদলে বরং বর্তমানের কাজগুলোই ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। এই প্রথম ভারতে কর্মক্ষম মানুষ ম্যানুফ্যাকচারিং ও সেবামূলক ক্ষেত্র থেকে সরে যাচ্ছে কৃষিকাজে, যা অর্থনীতিবিদদের মতে ছদ্ম কর্মহীনতা।
কেন্দ্রীয় সরকারের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত ব্যয়ের দপ্তরের সর্বশেষ বার্ষিক রিপোর্ট জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মিত অসামরিক কর্মীর সংখ্যা ২০২০র ১ মার্চে ৩১.৯১ লক্ষ! এর মধ্যে অনুমোদিত পদ হল ৪০.৭৮ লক্ষ। অর্থাৎ, ৮.৮৭ লক্ষ পদ ফাঁকা হয়ে পড়ে রয়েছে। কয়েকটি মূল মূল দপ্তরে শূন্য পদের সংখ্যা হল— রেল - ২.৩৭ লক্ষ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ১.৩ লক্ষ, ডাক ২.৬৭ লক্ষ, অসামরিক প্রতিরক্ষা ২.৫ লক্ষ, রাজস্ব ৭৪ হাজার। গত চার বছরে রেলে পর্যায়ক্রমে বিলোপ করা হয়েছে ৯২ হাজার ৯০টি পদ। অপ্রয়োজনীয় বলে চিহ্নিত করা হয়েছে আরও ১৫ হাজার ৪২৩টি পদ। গত চার বছরে রেলে শূন্য পদের প্রায় অর্ধেকই বিলুপ্ত করা হয়েছে।
হন্যে হয়ে কাজ খুঁজছে এমন ১৫ বছরের বেশি ভারতীয়ের সংখ্যা সিএমআইই এর রিপোর্ট অনুযায়ী ৪০ কোটি! গোটা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমাদের দেশেই কাজের বাজারে কাজ খুঁজে নেওয়ার সংখ্যা সবচেয়ে কম। আর বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নিচে। কারণ, বেশ কিছুমাস আগেই সিএমআইই এক রিপোর্টে দেখিয়েছে যে হতাশাগ্রস্থ বেকাররা আর কাজ খুঁজছেন না। ক্রমে মাথা তুলে দাঁড়ানো ও উঁচু হওয়া মূল্যস্ফীতির ফনাকে কিছুতেই বাগে আনতে পারছে না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শীর্ষ ব্যাঙ্কের মনিটারি পলিসি কমিটির সদস্য ও ডেপুটি গভর্নর মাইকেল পাত্র আর গোপন রাখতে পারলেন না তাঁর গভীর আশঙ্কাগুলোকে। তিনি জানালেন, মূল্যস্ফীতির এই ক্রমে বেড়ে চলা হার কোভিড উত্তর কালে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বিরাট অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ দেশে ৬ শতাংশের উপর মূল্যস্ফীতির হার চলতে থাকলে তা বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করবে, বিনিয়োগকারীরা নিজেদের লাভজনক ফেরতলাভের আশঙ্কায় ভুগবে, পুঁজি এ দেশ থেকে পালিয়ে চলে যাবে, টাকার মূল্যের পতন ঘটবে যা শেষ বিচারে মূল্যস্ফীতিতে আরও বাড়িয়ে দেবে।
এদিকে, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (২২ জুন) দেখিয়েছে, সারা দেশের অর্থনীতি যখন সংকটের আবর্তে খাবি খাচ্ছে তখন ৫০০টি কর্পোরেট সংস্থা ২০২২ সালে জিডিপির সাপেক্ষে তাদের মুনাফা বাড়িয়েছে ৪.৩ শতাংশ, যা গত ১১ বছরে সর্বোচ্চ! মেরুর একপ্রান্তে হাতে গোনা কিছু অর্বুদপতিদের চোখ ধাঁধানো সম্পদের উল্কা গতিতে বৃদ্ধি, আর বিপরীত প্রান্তে অযুত নিযুত সাধারণ ভারতবাসী ক্রমে ক্রমেই নিক্ষিপ্ত হচ্ছেন দারিদ্রের অতলে। এই হচ্ছে মোদির ভারতের প্রকৃত চিত্রকল্প।
এতদিন ধরে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের যে পদ্ধতি বহাল ছিল, তাকে রাতারাতি বদলে নতুন এই অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করার সিদ্ধান্ত কিন্তু সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব নিজে থেকে নেননি। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সরকারি মুখপত্র মারফত জানা যায় যে ২০২০ সালে সেনাবাহিনীর কর্তাব্যক্তিদের কাছে থেকে যে ফিড ব্যাক আসে তাতে প্রস্তাব ছিল, এই প্রকল্পটিকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে, আর, অবসর নেবেন এমন ১০০০ জনের জায়গায় প্রথমে কর্মবীরদের নিয়োগ করে দেখা যাক। সফল হলে, ধাপে ধাপে সেই সংখ্যাটা পরে বাড়ানো যাবে। পাইলট প্রজেক্ট হিসাবেই এটা প্রথমে দেখে নেওয়া যাক। এখন এটা সকলেই জেনে গেছেন যে প্রতিরক্ষা প্রধান প্রয়াত বিপিন রাওয়াত এই প্রকল্প সম্পর্কে নিজের আপত্তি ব্যক্ত করেছিলেন। এখনো পর্যন্ত এমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি যে এই প্রকল্প চালু করার আগে পর্যন্ত সেনাবাহিনীর অফিসারদের সঙ্গে বিস্তৃত আলাপ আলোচনা হয়েছিল। বিপিন রাওয়াত প্রয়াত হওয়ার পর থেকে ছ' মাসেরও বেশি অতিক্রান্ত হল, কিন্তু তাঁর ফেলে যাওয়া সেই গুরুত্বপূর্ণ পদ আজ পর্যন্ত পূর্ণ হল না। এটা প্রমাণিত যে, সামরিক বাহিনীর শীর্ষস্থান থেকে নয়, এই প্রকল্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটা নেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের একেবারে শীর্ষ মহল থেকে। আর, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা চালান করে দেওয়া হল সেনাকর্তাদের কাছে, সোচ্চারে সমর্থনের জন্য।
সংবাদ মাধ্যমের কাছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আসল কথাটি আর চেপে রাখতে পারলেন না। তিনি স্পষ্টই করে দিলেন যে, অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের পেনশন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার বিপুল আর্থিক ভার আর এই সরকারের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় সংকীর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে যে সেনাবাহিনীকে দেশভক্তির এক সুউচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠা করেছিল মোদি সরকার, আজ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে তাকে এই মারাত্বক সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। এই নতুন কন্ট্রাক্ট সেনাদের কর্মজীবন চার বছরে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হল, এরা পাবেন না ডিএ বা গ্র্যাচুইটি। পরবর্তীতে, যে অগ্নিবীরদের কপালে শিকে ছিঁড়বে, যারা যারা নিয়মিত বাহিনীতে নিয়োজিত হওয়ার মহার্ঘ সুযোগ পাবেন, তাঁদের কন্ট্রাক্ট পর্বের
সময়সীমাকে ধর্তব্যের মধ্যে না এনে এই প্রকল্পের চরম দমনমূলক দিকটি সামনে আসছে। প্রয়োজনের তুলনায় এক লক্ষ সেনা কম থাকা সত্ত্বেও এই প্রকল্পের মাধ্যমে এই বছরের জন্য মাত্র ৪৬,০০০ জনকে নিয়োগ করা হচ্ছে— এ বছর যারা যারা অবসর নেবেন তার ধারে কাছেও এই সংখ্যাটা নেই।
এনকাউন্টার ও বুলডোজার আজ মোদির শাসনতন্ত্র হয়ে উঠেছে। প্রতিবাদী কন্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে রাজদ্রোহ আইন বা ইউএপিএ দিয়ে কারারুদ্ধ করার পাশাপাশি এবার যুক্ত হল প্রতিবাদী সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘর দোর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া। আইনের শাসন আজ যেন অতীত। রাষ্ট্র প্রথমে কাউকে দাগিয়ে দেবে, তারপর স্থানীয় পুরসভা পুরনো এক তারিখ দিয়ে ভুয়ো এক নোটিশ ঝুলিয়ে বুলডোজার মারফত চুরমার করে দিচ্ছে তাদের সব কিছু। আর, সমস্ত প্রতিষ্ঠান— আইন আদালত, বিচারসভা মূক বধির হয়ে এই রাষ্ট্রীয় হিংসাকে নীরবে অনুমোদন দিয়ে চলেছে। বিগত কয়েক দশক পর মোদির আমলে রাষ্ট্র এইভাবে নিজের বর্বর বিবর্তন ঘটালো।
ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহর উদ্ধৃতি দিয়েই ইতি টানা যাক— আট বছরে ক্ষমতায় মোদি সরকার ভূরিভূরি ফানুস উড়িয়েছে, দিয়েছে অন্তহীন প্রতিশ্রুতি। কিন্তু বাস্তবের মানদন্ডে এই সব কিছু নেহাতই অর্থহীন। এই সময়কালে আর্থিক বৃদ্ধি মুখ থুবড়ে পড়েছে (অতিমারির প্রাদুর্ভাবের আগে থেকেই যা টের পাওয়া গেছিল)। বিরাট ভাবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে বেকারত্ব। বর্বরোচিত কায়দায় হিন্দুদের লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে। মোদির শাসনকালে পড়শি দেশ ও বিশ্বের দরবারে আমাদের দেশের মাথা হেঁট হয়েছে, যা আগে কখনো হয়নি। আমাদের দেশের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোদি জমানা দুর্নীতিগ্রস্থ ও ধ্বংস করেছে। আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়েছে মোদির দৌলতে। এক কথায়, মোদি সরকার আমাদের দেশকে আর্থিকভাবে, সামাজিকভাবে, প্রতিষ্ঠানগত ভাবে, নৈতিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ধ্বংস করেছে।

Copyright © 2021 - 2022 Shramajeebee Bhasha. All Rights Reserved.